মোঃ আবদুল্যাহ রানা, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ-

“শিক্ষায় জাতীর মেরুদন্ড” স্লোগানকে সামনে রেখে অভিবাবকরা তাদের কোমলমতি শিশুদের প্রাথমিক ভাবে অ আ ক খ শিখার জন্য সর্ব প্রথম প্রাথকি বিদ্যালয়ে পড়তে দেন। সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি শিক্ষক না থাকে তাহলে এই শিশুরা কি শিখবে এবং কিভাবে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করবে। শিক্ষক ছাড়া তেমনি একটি স্কুল চোখে পড়ে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ৩নং ধানসিঁড়ি ইউনিয়নস্থ্য নলুয়া রেহান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

কিছু শিক্ষা প্রেমির মাধ্যমে ১৯৭৪ সালে স্কুলটি স্থাপিত হয়, ১৯৭৯ সালে রেজিষ্টিশান ও ১৯৯১ সালে এমপিও ভুক্ত এবং ২০১৩ সালে সরকারি করন করা হয়, বর্তমানে স্কুলটিতে ২৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অত্র বিদ্যালয়টিতে গত তিন বছর যাবৎ মাত্র একজন শিক্ষক দ্বারা পাঠদান চলছে, শেষ পর্যন্ত গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে আরো একজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়, যেখানে একটি বিদ্যালয়ে নুন্যতম ৫ জন শিক্ষক থাকার কথা সেখানে দুইজন শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলতে পারেনা বলে দাবী করেন অভিবাবকরা।

প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, এভাবে একটি স্কুল চলতে থাকলে এই শিশুদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার, আমিও অসুস্থ্য ঠিকমত ক্লাস করতে পারিনা তাই অতি দ্রুত এখানে আরো ৩/৪ জন শিক্ষক যেন নিয়োগ দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে জানার জন্য গিয়ে তাকে না পেয়ে টেলিফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্কুলটার ব্যাপারে আমার নলেজে রয়েছে একজন শিক্ষক গতমাসে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে তার পরেও আমি চেষ্টা করতেছি অতি দ্রুত স্কুলটিতে আরো দুইজন শিক্ষক দেওয়া জন্য।